About Me

My photo
A pigeon lover from a small town. Currently working on Oriental Frill pigeon. passing time with pigeons since 2006

Monday, August 16, 2021

কবুতরের বিভিন্ন সমস্যা ও তার চিকিৎসা

ক্যাঙ্কারঃ
কবুতর এর সাধারণ রোগগুলির মধ্যে ক্যাংকার একটি।এটি ট্রাইকোমানাস গ্যালিনা বা ট্রিকোমোনাস কলম্বিয়া নামক এক প্রকার প্রোটোজোয়া নামক জিবানু দ্বারা হয়ে থাকে। এ রোগ হলে কবুতর এর মধ্যে বিভিন্ন রকম লক্ষন দেখা দিতে পারে।মুখে বা গলায় যদি হলুদাভ সাদা বস্তু দেখা যায় তবে সহজেই এই রোগের সনাক্ত করা যায়। তবে সব লক্ষন প্রকাশ নাউ দেখা দিতে পারে। মুখ থেকে শুরু করে এটি পাকস্থলীকে আক্রমণ করতে পারে। সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়ার সময়ে এটি বেশি দেখাদেয় এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের থেকে অপ্রাপ্তবয়স্ক রা বেশি আক্রান্ত হয়।প্রাপ্তবয়স্ক কবুতর এই রোগের জিবানু বছরের পর বছর কোন লক্ষন ছারাই বহন করতে পারে এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়াতে পারে।প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে এ রোগ হালকা সংক্রমণ ঘটায় এবং তা পাকস্থলী পযুন্তুু ছরিয়ে দেয়। কবুতর এর ক্যাংকার রোগ এর চিকিৎসার আমরা বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ঔষুধ প্রয়োগ করে থাকি, যা হয়তো আমাদের কবুতর গুলোকে সুস্থ করে কিন্তুু এতে আনেক টা ক্ষতির সম্মুখীন ও হই। অথচ খুব সহযেই আমরা ১০০% কার্যকারী ও ন্যাচারাল দারুচিনি ব্যবহার করতে পারি।যা আমাদের কবুতর কে ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করবে এবং ক্যাংকার থেকে রক্ষা করবে। চলুন ক্যাংকার এর চিকিৎসার দারুচিনি এর ব্যবহার জেনে নিই। চিকিৎসাঃ শুরুতে কবুতর এর মুখের ভেতর ঘা দেখা দিলে সেটি খুব সাবধানতার সাথে পরিস্কার করা। প্রথমে হালকা করে মুখের ঘা এর উপরের আবরন পরিষ্কার করতে হবে পরিষ্কার কাঠি দিয়ে যাতে রক্ত না বের হয় । তারপর সেই স্থানে দাড়ুচিনি গুড়ো লাগিয়ে দিন।
তারপর সামান্য পরিমান দারুচিনি গুড়ো  হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার তা একটি ডাবলির আকৃতির তৈরি করুন। ডাবলি কৃত দারুচিনি বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাওয়ান দিনে তিন বার কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্ত। পাশাপাশি রোগের তীব্রতা বেশী মনে হলে Azicine syrup ৩ ফোটা করে দিনে ৩ বার খাওয়ান।

  
কবুতরের পক্স একটি ভাইরাল রোগ যা সাধারণত গ্রীষ্মকালীন সময়ে আনেক বেশি পরিমানে হয়ে থাকে যখন মশার  উপদ্রব বেশি থাকে। কেননা মশাকে এ রোগের বাহক হিসাবে ধরাহয়।যদিও অনান্য পোকামাকড় এর কারনেউ এ রোগটি বিস্তার লাভ করতে পারে তথাপিও মাশাই এ রোগের মূল বাহক হিসাবে ধরা হয়।শরীরের বিভিন্ন অংশে গোটা হওয়া এর মুল লক্ষণ হিসেবে ধরাহয়।মশা নিয়ন্ত্রণ করাই পক্স থেকে বাঁচার উত্তম উপার, মশা নিয়ন্ত্রণ ছারা এটা প্রতিরোধ সম্ভাব নয়। এবং চিকিৎসায় ন্যাচারাল উপাদান সবথেকে ভালো ফলাফল প্রদান করে।

কবুতরের পক্সঃ 

কবুতরের পক্স এর লক্ষণঃ
১. নাকের চারপাশে গোটা হওয়া।
২. নাভি সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এই গোটা দেখাদিতে পারে।
৩. মাঝে মাঝে কবুতরের গালের মদ্ধেও হতে পারে। যাকে Wet pox বলে।

পক্স এর চিকিৎসা ন্যাচারাল উপাদানঃ
চিকিৎসাঃ

১. হলুদ গুরা।
২. সরিষার তেল।
৩. দারুচিনি গুরা
৪. পটাস।
৫. খাবার চুন।

১ এবং ২ একসাথে মিশিয়ে পেষ্ট করে গোটাতে লাগিয়ে দিবেন, দিনে ২ বার।সেরে না ওঠা পর্যন্তুু।

অথবাঃ

গোটার মুখ হালকা তুলে কটন দিয়ে পরিষ্কার করে "হারপিক" লাগিয়ে দিবেন কটন বার্ড দিয়ে আস্তে আস্তে।
পাশাপাশি একটা করে রিবোসন ট্যাবলেট প্রতিদিন। টানা ৭ দিন।

যদি রোগের তীব্রতা বেশী মনে হয় তখন Fluclox .250 একটা ক্যাপসুলের ভেতরের গুড়ো অর্ধেক করে ৫ মিলি পানির সাথে মিশিয়ে ১২ ঘন্টা পর পর খাওয়াবেন টানা ৫-৭ দিন।


প্রচলিত ওষুধের মাধ্যমে কবুতরের বিভিন্ন লক্ষণ অনুযায়ী প্রাথমিক চিকিৎসাঃ-

৩।সবুজ পায়খানা / চুনা পায়খানা/ আমাশয়ঃ-  SCZ-WSP  এবং Doxy-OXY দুইটি ঔষুধ থেকে ১ গ্রাম করে নিয়ে একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার ১০ এম.এল করে খাওয়াবেন। ৫ থেকে ৭ দিন।


৪।সবুজ পায়খানার সাথে চুনা পায়খানাঃ- এসব রোগের জন্য SCZ- WS ১ এম.এল+Toylovet ১ এম.এল+Electromin( স্যালাইন ) ১ গ্রাম করে। তিনটি ঔষুধ একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে কবুতরকে খাওয়াতে হবে। বা ১০ এম.এল করে ধরে খাওয়াবেন দিনে দুই বার।  ৫ থেকে ৭ দিন।


৫।ঠান্ডা/কাশি/জ্বরঃ- এর কোন একটি রোগ হলে Doxy-Oxy বা Tylovet এর যে কোন একটির থেকে ১ গ্রাম নিয়ে সাথে ciprosin Vet ১ মিলি একত্রে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার ৫ থেকে ৭ দিন খাওয়াতে হবে।


৬।হটাৎ বমি করলে বা বদহজম হলেঃ- Electromin( স্যালাইন ) ১ গ্রাম+ Hajmi ( হারবাল)১ এম.এল+ Zincare  ১ এম.এল। তিনটি ঔষুধ একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার ১০ এম.এল করে খাওয়াতে হবে। এভাবে ৩ থেকে ৫ দিন ব্যবহার করতে হবে।

অথবাঃ- Multizyme BT ঔষুধ টি ১ লিটার পানিতে ১এম.এল গুলিয়ে দিনে এক বার খাওয়াতে পারেন।


৭। হিট স্ট্রোকঃ- Fastercool ঔষুধ টি ১ গ্রাম এক লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে এক বার খাওয়াতে হবে। এভাবে ৩ থেকে ৫ দিন ব্যবহার করতে হবে ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।


৮।ডিম না জমলে/ ডিম দেয়া বন্ধ করে দিলেঃ-প্রথমে নর মাদিকে আলাদা করে Calbo-D + Lisovit দুইটা একসাথে দিবেন ১ লিটার পানিতে ২ এম.এল। ৫ থেকে ৭ দিন।এটা শেষ হলে দ্বিতীয় ধাপে ADE3 বা E-Sel ১ এম.এল ঔষুধ এক লিটার পানিতে মিশিয়ে খাওয়াবেন ৫ থেকে ৭ দিন। পাশাপাশি  উন্নত মানের গ্রিড দিবেন।এক মাস পর আবার জোরা দিন ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।


৯।প্যারালাইসিসঃ- কবুতর হঠাৎ দাঁড়াতে পারছে না বা ডিম দেওয়ার পর হাটতে পারছে না কিংবা পায়ে আঘাত জনিত ব্যাথা পেয়েছে। Syp-Calcium + Syp-Zincare + Syp-Deltason  ৩ টা ঔষুধ থেকে ২ এম.এল করে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৪ থেকে ৫ দিন খাওয়াতে হবে। ইনশাআল্লাহ কবুতর ঠিক হয়ে যাবে।

অথবা Syp- Paralysis Cure এক গ্রাম এক লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে এক বার(সকালে) দিবেন ৫ থেকে ৭ দিন। সাথে Rena-Ws ১ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে একবার ( বিকালে ) ৫ থেকে ৭ দিন।


১০। ডিমের ভেতর বাচ্চা মারা যাওয়াঃ- এই সমস্যা সমাধানে Syp-Calbo-D  ২ এম.এল এবং Syp-Zincare ২ এম.এল এই দুইটা ঔষুধ একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ থেকে ৪ দিন খাওয়াতে হবে।এর পর ৩ থেকে ৪ দিন বিরতি দিয়ে Multivitamin ২ এম.এল ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে খাওয়ান ৩ থেকে ৪ দিন।ইনশাআল্লাহ সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।


১১।ক্ষতের সৃষ্টি হলে বা বাচ্চার নাভির ইনফেকশনঃ- কবুতরের বাচ্চার নাভিতে ইনফেকশন বা কোন কারণে কবুতরের শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হলে Tab-Panvik ৪ ভাগের এক ভাগ + Tab Riboflavin ২ ভাগের একভাগ +Oracin-K ৪ ভাগের একভাগ করে এই ঔষুধ তিনটি দিনে দুই বার করে ৪ থেকে ৫ দিন খাওয়াতে হবে পাশাপাশি কবুতরের ক্ষতের যায়গা নিয়মিত পরিস্কার করে দিতে হবে। বাচ্চার ক্ষেত্রে শুধু প্রাকৃতিক চিকিৎসা অনুসরণ করুন।


১২।পালক ফুলানোঃ- কবুতরের পালক ফুলানো মানেই রোগ নয়। কখনো কখনো শীতের কারনে বা আবহাওয়ার কারনেউ কবুতর এটি করে থাকে।তবে যদি কবুতরের এই সভাবটি নিয়মিত দেখা যায় তাহলে।  Zincare + Hajmi (Hamdard)  ঔষুধ দুইটি থেকে  ২ এম.এল পরিমাপ নিয়ে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে। এভাবে ৩ থেকে ৫দিন খাওয়াতে হবে। ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।


১৩।কবুতরের পেটে গ্যাস হলেঃ- মানুষের গ্যাসের ঔষধ Niotac ১০ ভাগের একভাগ ১  এক লিটার পানিতে মিশিয়ে সেটা থেকে ৫ সিসি পরিমাণ ঔষুধ কবুতরকে খাইয়ে দিন।প্রয়োজনে দিনে দুইবার দিন।  ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।


১৪।পা বা পাখা ভেঙে যাওয়াঃ- যেখানে হাড় ভেঙ্গেছে সেখানে দুই জায়গা টেনে ভাঙ্গা মুখ কাছাকাছি এনে দুইটা মুখ হালকা চাপ দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে।এর পর ভাঙ্গা হাড়ের চার পাশে মোটা তুলার প্রলেপ দিয়ে তার চার পাশে ৩-৪ টি মসৃণ কাঠ বা বাঁশের টুকরো লাগিয়ে সুন্দর ভাবে ব্যান্ডেজ জরিয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে ব্যান্ডেজ যেন বেশী শক্ত বা বেশী আলগা না হয়।

এবার Orasin-K ১ মিলি+ORS ১ গ্রাম নিয়ে দুইটা ঔষুধ একসাথে  ২ থেকে ৩ মিলি পানিতে মিক্স  করে দিনে ৩ বার কবুতরকে খাইয়ে দিন।এভাবে ৪ থেকে ৫ দিন দিতে হবে । এর পর Calbo D দিতে হবে ৪ থেকে ৫ দিন। ট্যাবলেট হলে ৪ ভাগের এক ভাগ, লিকুইড ১ এমএল পরিমাণ নিয়ে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে এক বার।


১৫।চোখের সংক্রমণ হলে/চোখ ওটাঃ- কবুতরের চোখে সংক্রমণ হলে প্রথমে সেটি পটাস মিশ্রিত পানি দিয়ে মাঝে মাঝে পরিস্কার করবেন। ঔষুধ হিসেবে Criprocin drop বা Gatison  বা  সিভডেক্স ভেট এর যে কোন একটি ঔষুধ ১ ফোঁটা করে দিনে  ২ বার কবুতরকে চোখে দিন। পাশাপাশি আক্রান্ত কবুতরকে Criprocin syp ১ এম.এল + Respiron ১ এম.এল+ Multivitamin ২ গ্রাম। এই তিনটি ঔষুধ একসাথে ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ এম.এল করে আক্রান্ত কবুতরকে দিনে এক বার ৩ থেকে ৫ দিন খাওয়াতে হবে।


১৬। কবুতর টাল হলেঃ-কবুতর টাল হলে প্রতিদিন ১ থেকে ২ ঘন্টা রোদে দেবার পাশাপাশি মানুষের ঔষুধ  Tab Biovit বা Tab Thiovit  এর যে কোন একটির থেকে ১ টা করে ১৫ দিন প্রতিদিন সকালে দিবেন। এবং বিকালে Sancal D বা Calcin D এর যে কোন একটি ওষুধের অর্ধেক করে প্রতিদিন বিকালে একবার ১৫ দিন দিবেন। যদি এটিতে কাজ না হয় তবে  Neuro-B ইনজেকশন কবুতরের বুকের মাংসে ৩০ ইউনিট অর্থাৎ এক সিসির তিন ভাগের এক ভাগ ৭ দিন দিবেন।এটা শেষ হলে Cordliver Oil প্রতিদিন একটা করে ৭ দিন খাওয়াতে হবে। তবে বলে রাখা ভালো টাল বিভিন্ন কারনে হতে পারে অবশ্যই টালের চিকিৎসা করার পূর্বে প্রকৃত রোগের চিকিৎসা করতে হবে।


১৭। চোখের কর্নিয়ার ক্ষতঃ-
Orbidex C নামে মানুষের  চোখের ড্রপ নিন এখান থেকে ১ ফোঁটা করে দিনে ৪ থেকে ৫ বার ২ চোখে প্রয়োগ করুন। একই নিয়মে ৬ থেকে ৭ দিন চোখে দিতে হবে।


১৮।চোখের ছানিঃ-Orbidex T + Trimolo Osl 5%  নামে ২ টি মানুষের চোখের  ড্রপ ১০ মিনিট আগে পড়ে করে ২ চোখেই ১ ফোঁটা করে দিনে ৩-৪ বার।এভাবে ৭ দিন চোখে দিতে হবে।


১৯।বিভিন্ন কীট পতাঙ্গাদি- ইদুর/ কুকুর/বিড়াল/মৌমাছি/ ইত্যাদি কামর দিলেঃ- কামরের ফলে যদি রক্ত বের হয় তাহলে  Hexisol/Povisep/ Sevlon বা যেকোন Antiseptic  দ্বারা আক্রান্ত স্থান পরিস্কার করে দিতে হবে।
এর পর কোন ধরনের প্রাণী কামর দিয়েছে সেটি অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।

***ক) যদি কুকুকে কামড়ায় তাহলে হোমিও Hydrophobia30 (হোমিও) ঔষুধটি ১ ফোঁটা করে ১ থেকে ২  ঘণ্টা পরপর কবুতরকে খাওয়াতে হবে। এক্ষেত্রে নাইট্রিক বা কার্বলিক এসিড ক্ষত স্থানে আগে লাগানোর ব্যাবস্থা করতে হবে।

***খ) ইঁদুর/বিড়াল/মৌমাছি/ বোলতা বা বিষাক্ত কিছুতে কামড়ালে, Ledum Pal30 (হোমিও) দিনে ৩ থেকে ৪ বার করে ২ থেকে ৩ দিন ব্যাবহার করতে হবে।

এসমস্ত ঔষুধের পাশাপাশি  রক্ত পরিস্কারক হিসাবে হোমিও Echinesia Mother-  ১ থেকে ২ ফোঁটা করে দিনে ৪ থেকে ৫ বার।এভাবে ৫ থেকে ৬ দিন খাওয়ালে ভাল ফল পাওয়া যায়। এবং ব্যাথার সাথে যদি গায়ে তাপমাত্রা বেশী থাকে তবে  Beledona 30 (হোমিও) খাওয়াতে হবে ১ ফোটা করে দিনে ৩ থেকে ৪  বার। আর যদি গায়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিক  থাকে। তবে Arnicamont 30 (হোমিও)ঔষুধটি খাওয়াতে  পারেন ১ ফোটা করে দিনে ৩ থেকে ৪ বার খাওয়ান এবং আঘাতের স্থান প্রতিদিন পরিস্কার করুন ও খেয়াল রাখুন।

২০।কবুতরের পেটে পানি জমা বা উদরী/শোথঃ- এক্ষেত্রে আপনাকে B-complex বা  লিভার টনিক ও ভাল  মানের প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। কবুতর কে গরম জায়গাতে রাখতে হবে।  নিয়মিত ক্রিমির ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।

২১। কবুতর বাচ্চাকে খাওয়ানো ছেড়ে দিলে/বাচ্চাকে ঠোঁকরায়/নর-মাদী মারামারি করে/কয়েক দিন ডিমে তাপ দেবার পর ডিমে বসে নাঃ-  নর মাদিকে কমপক্ষে এক মাসের রেষ্ট দিন। রেষ্ট চলাকালীন সময়ে প্রথম সপ্তাহ Multivitamin দিন, পাশাপাশি ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার প্রদান করুন ও কৃমির কোর্স করান।

২২। পাখা লক বা পাখা অবস হলেঃ- কবুতরের পাখা অবশ বা  পাখা আটকানো একটি অত্যন্ত  খারাপ ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ। এটি হলে  Vitamin B-complex ২ এম.এল ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে, ১০ এম.এল পরিমাণ মিশ্রণ দিনে দুই বার খাওয়াতে হবে।
ভাল  মানের গ্রিট সরবরাহ করতে হবে। সম্ভব হলে রোদে দিবেন।

২৩। কবুতরের বাচ্চার পা বাঁকাঃ- কম বয়স থাকাকালীন চিকিৎসা শুরু করলে অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু বাচ্চা বড় হয়ে হাড় শক্ত হয়ে গেলে তা ঠিক হয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

❣️১ম পদ্ধতি – পায়ের গোড়ালি ও হাটুর মাঝের স্থানে স্টিকি ব্যান্ডেজ দিয়ে এমনভাবে পেচিয়ে দিতে হবে যাতে বাচ্চা নিজ পায়ের উপর ভর করে দাড়াতে পারে এবং নাড়াচাড়া করতে পারে। ব্যান্ডেজ যাতে দুই পাকে বেশি কাছাকাছি নিয়ে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

❣️২য় পদ্ধতি – মেক-আপ এর স্পঞ্জ কেটে নিয়ে, নির্দিষ্ট জায়গায় দুটি ছিদ্র করে পাখির পা দুটো ঢুকিয়ে দিতে হবে। এভাবে বাচ্চাকে ১-২ সপ্তাহ দেখাশুনা করতে হবে। হাড্ডি শক্ত হলে যখন মেক-আপ স্পঞ্জ পড়েও পাখি দাড়াতে পারবে, তখন স্পঞ্জ থেকে তার পা বের করে দিতে হবে।

❣️৩য় পদ্ধতি – একটি নরম চুল বাধার ব্যান্ড নিয়ে স্ট্র ছোট করে কেটে সেটার ভিতর দিয়ে ব্যান্ড ঢুকিয়ে দুই কোনার ভিতর দিয়ে দুই পা ঢুকিয়ে দিতে হবে। স্ট্র এমন ভাবে কাটতে হবে যাতে বাচ্চার পায়ে তা ঘষা না খায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করলে ২-৩ দিনেই বাচ্চা সুস্থ হয়ে নিজেনিজে সঠিকভাবে হাটা শুরু করতে পারবে, অন্যথায় ১-২সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।
❣️ চতুর্থ পদ্ধতি -
অনেক সময় বাচ্চা কবুতর এর পায়ের আঙুল বেকে যায় যা আঙুল আলাদা ব্যান্ডেজ করে সোজা কোণো পাঈপ জাতীয় ফ্রেম এ ভরে কিছু দিন রাখলে অনেক সময় ভালো ফল পাওয়া যায় । এদের কে একটু আলাদা করে বা আলাদা খাঁচায় রাখতে হবে ।(চিকিৎসা টি Montu Nazmul এর পোস্ট থেকে নেওয়া)

২৪। অরুচি বা খুদামন্দঃ- প্রথমে কবুতরের কৃমির ঔষুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। এর পর নিয়মিত ভাবে Vitamins, Calcium দেয়া।

২৫। বাচ্চার ছোট বড় হওয়া সমস্যাঃ- সাত থেকে আট দিন বয়সের বড় বেবি কে প্রতিদিন এক ঘন্টার জন্য অন্যত্রে যত্নসহকারে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে রাখবেন।
তখন প্যারেন্টস ছোট বাচ্চাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়াবে, এবং এভাবে প্রতিদিন এ পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। একটা সময় দেখবেন প্রায় সমান সমানহ য়ে যাবে। এসম কবুতরের বাচ্চা এবং প্যারেন্টসকে, Multivitamin দেয়া। 



এবার দেখে নিন কিছু রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসা ঃ

✳১। ডিম আটকানো বা  Egg Binding :-কবুতরের ডিম আটকে গেলে, তেল জাতীয় কিছু দিয়ে পেছনের এলাকায় পেশী খুব সাবধানে  ম্যাসেজ করুন, মেসেজিং করার সময় খুব সাবধান কারন  চাপ লাগলে ডিম ভিতরে ভঙ্গে যেতে পারে যা জীবন নাশক হতে পারে। এছাড়াও পেছনে পিচ্ছিলকারক পদার্থ হালকা করে দিয়া যেতে পারে এটি ভাল সহায়ক হতে পারে। এগুলোর পাশাপাশি ডিমের সফল পাসিং এর জন্য স্যালাইনে পানি খাওয়ানোর বাবস্থা করতে হবে এবং অন্য কবুতর থেকে আলাদা করতে হবে ও শান্ত রাখতে হবে।

✳২। অপুষ্টি ও বিপাকীয় রোগঃ- রোগের ধরণ যেনে প্রয়োজনীয়  ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাবার ও মানসম্মত গ্রীড পরিবেশন করতে হবে।

✳৩। ছত্রাক সংক্রমণ বা Fungal Diseases:- পরিমান মত দারুচিনি গুড়া নিন, তাতে হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন । এবার তা একটি ডাবলির সাইজের মত করে গোল করুন।যদি ডাবলির মত গোল করতে অসুবিধা হয় তবে দারুচিনির গুড়ার সাথে ২/৩ টা ভাত মিশিয়ে নিন তাহলে সহজেই গোল হয়ে যাবে।এবার দারুচিনি গুড়ার বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাইয়ে দেন। প্রতি দিন তিন বার করে কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্তু ।এটি ১০০ % কার্যকারী একটি প্রকৃয়া। ইনশাআল্লাহ ৪ থেকে ৫ দিনে কবুতর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।

✳৪।ম্যালেরিয়াঃ-চার ভাগের এক ভাগ পিয়াজ নিন। এবং ৫-৬ টি গোল মরিচ একত্রে পিষে এক লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ সিসি করে খাওয়ান দিনে তিন বার সেরে না ওঠা পরযন্ত।

✳৫। বহিঃপরজীবি বা Parasite Diseases:- ১০ থেকে ১৫ টি নিমপাতা নিয়ে ১ লিটার পানিতে দিয়ে সেটি ভালোভাবে চুলায় বা হিটারে ফুটিয়ে যখন পানির কালারের পরিবর্তন হয় তখন সেটি  নামিয়ে ঠান্ডা করে। উক্ত    দ্রবনে কবুতরকে গোছল করাতে হবে।

✳৬।  Pigeon Chlamydia:-রসুন ছোট ছোট টুকরা করে কবুতরগুলোকে খাবার এর সাথে মিশিয়ে বা হাতে ধরে খাইয়ে দিন। দিনে দুই বার ৩/৪ দিন। অথবা ৩/৪ টি রসুন পিষে এক লিটার পানিতে গুলিয়ে ৫ সিসি করে দিনে ৩ টাইম ৩ থেকে ৪দিন।

✳৭। Adeno Virus:- প্রকৃতপক্ষে   Adeno এর কোন চিকিৎসা নেই তবে নিয়মিত কবুতররের দানাদার খাবারের সাথে দারুচিনি গুড়া মিশিয়ে খাওয়াতে পারলে এর থেকে অনেকটাই পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব পাশাপাশি খাবার পানির সাথে  রসুনের নির্জাস পরিবেশন করতে হবে।  এক কেজি খাবারের সাথে ২ চামুচ দারুচিনি গুরা সপ্তাহে কমপক্ষে ১ দিন এবং এক লিটার পানিতে ৩/৪ কোয়া (টুকরা) রসুন পিষে দিতে হবে সপ্তাহে কমপক্ষে ১ দিন।

✳ ৮। Wet Dropping বা পাতলা পায়খানাঃ- কচি পেয়ারার পাতার রস ২ এম.এল করে ৪ ঘন্টা পর পর খাইয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ একদিনেই পায়খানা কমে যাবে।পায়খানা ঠিক হওয়া পর্যন্ত খাওয়ান।পায়খানা ঠিক হলে পেয়ারার রস খাওয়ানো বন্ধ  করে দিতে হবে।

অথবা ১টি লং (লবঙ্গ) গুরা করে সামান্য পরিমান পানিতে মিশিয়ে দিনে একবার খাওয়াতে হবে এভাবে ২ দিন খাওয়ালেই যথেষ্ট।

✳৯। Circo Virus:- পরিমান মত দারুচিনি গুড়া নিন, তাতে হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন । এবার তা একটি ডাবলির সাইজের মত করে গোল করুন।যদি ডাবলির মত গোল করতে অসুবিধা হয় তবে দারুচিনির গুড়ার সাথে ২/৩ টা ভাত মিশিয়ে নিন তাহলে সহজেই গোল হয়ে যাবে।এবার দারুচিনি গুড়ার বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাইয়ে দেন। প্রতি দিন তিন বার করে কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্তু। পাশাপাশি এক লিটার পানিতে ৩/৪ কোয়া (টুকরা) রসুন পিষে গুলিয়ে তিন টাইম দিন।

✳১০। Trichinosis বা কোষের সংক্রমণঃ- পরিমান মত দারুচিনি গুড়া নিন, তাতে হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন । এবার তা একটি ডাবলির সাইজের মত করে গোল করুন।যদি ডাবলির মত গোল করতে অসুবিধা হয় তবে দারুচিনির গুড়ার সাথে ২/৩ টা ভাত মিশিয়ে নিন তাহলে সহজেই গোল হয়ে যাবে।এবার দারুচিনি গুড়ার বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাইয়ে দেন। প্রতি দিন তিন বার করে কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্তু ।এটি ১০০ % কার্যকারী একটি প্রকৃয়া। ইনশাআল্লাহ ৪ থেকে ৫ দিনে কবুতর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।।

✳১১। খাদ্য শস্য আটকানো বা Sour Crop:-  যদি পাকস্থলী পানিতে পরিপূর্ণ থাকে তবে কবুতরটির মাথা নিচ দিকে ধরে হালকা চাপ দিয়ে পানি বের করে দিতে হবে।এবং যদি পাকস্থলীতে খাবার আটকে থাকে তবে উষ্ণ গরম পানির সাথে Probiotic যেমন টকদই, মিক্স করে খাদ্য থলি সাবধানতার সাথে পরিস্কার করতে হবে অথবা অ্যাপেলসিডার পানির সাথে মিক্স করে পরিস্কার করতে হবে। সর্বপরি পাকস্থলীতে যাতে খাবার আটকে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এর পর দারুচিনি গুরা ডাবলির মত করে দুই টাইম খাওয়াতে হবে।

✳১২। ঠান্ডা বা সর্দি জনিত সংক্রমণ :- ১ লিটার পানিতে আদা কুচি করে কেটে এবং সাথে ৮-১০ টি  লং দিয়ে পানিটা ফুটান। এরপর চুলা নিভিয়ে দিয়ে ১০-১৫ টি  তুলসি পাতা উক্ত পানিতে ছেড়ে দিয়ে ২ মিনিট ভালোভাবে নারুন। এরপর সব গুলো উপাদান পানি থেকে উঠিয়ে ফেলুন।পানিটা কুসুম গরম অবস্থায় এলে ১ চা চামচ মধু উক্ত পানিতে ভালোভাবে  মিশান। এরপর পানি নরমাল তাপমাত্রায় এলে তা সেঁকে অসুস্থ কবুতরকে ৫ সিসি পরিমাণ পানি খাইয়ে দিন।দিনে ২ বার করে  ৪ থেকে ৫ দিন কবুতরকে খেতে দিন।

✳১৩। পক্সঃ-  হলুদ গুরা+সরিষার তেল,দুইটা একসাথে মিশিয়ে পেষ্ট করে গোটাতে লাগিয়ে দিবেন, দিনে ২ বার।সেরে না ওঠা পর্যন্তুু এটি ব্যবহার করুন। ইনশাআল্লাহ ৪ থেকে ৫ দিনে ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়াও আরও প্রাকৃতিক চিকিৎসা রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পোস্ট টি দেখুন।

✳১৪। Avian Influenza:- কোন তথ্য পাওয়া যায়নি পরবর্তীতে সংযোজন করা হবে।

✳১৫।শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণঃ- পরিমান মত দারুচিনি গুড়া নিন, তাতে হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন । এবার তা একটি ডাবলির সাইজের মত করে গোল করুন।যদি ডাবলির মত গোল করতে অসুবিধা হয় তবে দারুচিনির গুড়ার সাথে ২/৩ টা ভাত মিশিয়ে নিন তাহলে সহজেই গোল হয়ে যাবে।এবার দারুচিনি গুড়ার বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাইয়ে দেন। প্রতি দিন তিন বার করে কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্তু ।এটি ১০০ % কার্যকারী একটি প্রকৃয়া। ইনশাআল্লাহ ৪ থেকে ৫ দিনে কবুতর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।

✳১৬।  ই- কোলিঃ- এক টেবিল চামচ অরাগানো পাতার গুরা এক কেজি খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। খাবারের সাথে মেশাতে তেলের ব্যবহার করা যাবে। অথবা এক লিটার পানিতে এক টেবিল চামচ অরাগানোর পাতা ফুটিয়ে ১০ সিসি করে দিনে তিনবার, ৪ থেকে ৫ দিন।

✳১৭। রক্ত আমাশয়ঃ- থানকুনি পাতার রস ৫ এম.এল করে দিনে তিন বার। সাথে ৫ ফোঁটা আদার রস খাওয়ান ৫ থেকে ৭ দিন ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে। অথবা পায়খানা স্বাভাবিক হওয়া পযুন্ত।

✳১৮। কৃমি সংক্রমণঃ-
নিমপাতার সাথে সমপরিমাণ কালোজিরা একত্রে পিষে ডাবলির মত করে গোল করে প্রতিদিন রাতে একটি করে বানানো বড়ি খাওয়াতে হবে এভাবে ভাবে পর পর তিনদিন।

অথবাঃ- ১০ থেকে ১৫ টি নিমপাতা নিয়ে ১ লিটার পানিতে দিয়ে সেটি ভালোভাবে চুলায় বা হিটারে ফুটিয়ে যখন পানির কালারের পরিবর্তন হয় তখন সেটি  নামিয়ে ঠান্ডা করে। উক্ত    দ্রবন কবুতরকে ১০ এমএল করে খাওয়াতে হবে পর পর তিনদিন।

✳১৯। ক্যাংকারের প্রাকৃতিক চিকিৎসাঃ- শুরুতে কবুতর এর মুখের ভেতর  ঘা বা ক্যাংকার দেখাদিলে সেটি খুব সাবধানতার সাথে পরিস্কার করতে হবে।এটি খুব সাবধানে হালকা  করে  মুখের ঘা এর উপরের আবরন পরিষ্কার করতে হবে পরিষ্কার কাঠি দিয়ে খেয়াল রাখতে হবে যাতে রক্ত না বের হয় । এবার সামান্য পরিমান দারুচিনি গুরা নিন তারে হালকা পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এবার তা একটি ডাবলির আকৃতির তৈরি করুন। যদি ডাবলির আকার দিতে কষ্ট হয় তবে দারুচিনির গুরার সাথে ২/৩ টা ভাত মিশিয়ে নিন তাহলে ডাবলির আকার দিতে সুবিধা হবে। এবার ডাবলি কৃত দারুচিনি গুার বল টা আক্রান্ত কবুতরকে খাওয়ান প্রতি দিন তিন বার করে কবুতর সুস্থ না হয়ে উঠা পর্যন্তু ।এটি ১০০ % কার্যকারী একটি প্রকৃয়া। ইনশাআল্লাহ ৪ থেকে ৫ দিনে কবুতর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।

✳২০। সালমোনেলোসিস বা সালমোনিল্লাহঃ- কোন প্রাকৃতিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত পাওয়া যায়নি তবে সালমোনিল্লাহ্ প্রতিরোধে প্রাকৃতিক উপাদান অনেক কার্যকারি।



No comments:

Post a Comment

মিসমার্ক কবুতরই যখন তুরুপের তাস

আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরবো আমার লফটের এক ফাটা বেবির হিষ্ট্রি। কবুতরের কালার মিউটেশন সম্বন্ধে আমার জ্ঞান খুব সামান্যই বলা চলে। গত নভেম্বর...