কবুতরের বাচ্চা আলাদা করার পর আমার এপ্লাই করা টুকটাক কিছু বিষয় নিয়ে আজকের পোষ্ট
১।বাচ্চার বয়স ১৪ দিন হলে হাড়ি থেকে নামিয়ে একটা কাঠের টুকরোর উপর বাচ্চা গুলোকে রাখুন।এর পাশেই খাবারের বাটিতে প্যারেন্টসকে খাবার দিন।এতে বেবি গুলো স্বাভাবিকের তুলনায় তাড়াতাড়ি নিজে খাবার খাওয়াটা শিখে নিবে।
২। বেবির
গ্রোথ ভালো করতে সস্তার
মধ্যে ডাবলী আর রেজার
বিকল্প নেই।বেবি
থাকা অবস্থায় প্যারেন্টসকে এইসব খাবারে অভ্যস্ত
করে তুলুন।এক
বেলা মিক্সার দিলে অপর বেলায়
এসব প্রোটিন জাতীয় খাবার দিন।
৭। কবুতরের বেবির মুখে ক্যাঙ্কারের সমস্যায় ক্যাঙ্কারটা পরিষ্কার করে সে জায়গায় দাড়ুচিনি গুড়ো লাগিয়ে এবং খাইয়ে দিন।পাশাপাশি মানুষের Azicine syrup ৩ ফোটা করে দিনে ৩ বার। ৫-৭ দিন।
৮। খাচায় কবুতর পালনের ক্ষেত্রে বেবিকে মা বাবা থেকে আলাদা করার পর অন্তত ২ মাস আমি একবেলা করে খাবার দেই।এতে দুইটি উপকার পেয়ে থাকি আমি। প্রথমত বেবি খাবার নষ্ট করার বদ অভ্যাস থেকে বিরত থাকে এবং সব ধরণের খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে।ফলে ভালো পুষ্টিগুণ পায়। দ্বিতীয়ত একবেলা খাবার দেয়ার ফলে বদহজম জনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে আসে।
৯।অনেক সময় দেখা যায় খাচার কবুতর ডিম ফোটানোর পর ছোট বাচ্চাটা ক্রপ মিল্ক পায়না।এর জন্যে বেষ্ট সল্যুশন হচ্ছে পাশাপাশি খাচায় নর মাদিকে দুইটা হাড়ি দিয়ে আলাদা ভাবে দুইটা বাচ্চাকে বড় করতে দেয়া।এতে আলহামদুলিল্লাহ বেবি ফল রেট অনেকটা কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।
১০। কবুতরের বাচ্চার হাড়ি শুকনো রাখতে বাচ্চার বয়স ১৪ দিন হবার পর হাড়িতে কাঠের ভুষি ব্যবহার করতে পারেন।একবার দিলে ৭-১০ দিন চলে যায়।
লেখকঃ Unique Loft Chittagong (Abu Bakar Siddique)
No comments:
Post a Comment